সুযোগ পেলেই আপত্তিকর কাজে জড়িয়ে পড়ে

0
1855

সুযোগ পেলেই- রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যান (জিয়া উদ্যান)। একটু প্রশান্তির খোঁজে নগরীর মানুষরা এখানে ছুটে আসা। আবার তাদের সঙ্গে ভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে একশ্রেণির কিছু মানুষও এ পার্কে আসে।

পার্কটিকে ব্যবহার করে ‘দেহ ব্যবসার’ সুযোগ নেয় তারা। দিনের বেলা থেকে শুরু করে রাত অবদি ভাসমান এই যৌন কর্মীদের পায়চারি করতে দেখা যায় পার্কে। রাস্তার একমাথা থেকে অন্যমাথায় শুধুই তাদের হেঁটে চলা আর অপেক্ষায় থাকা।

সরেজমিনে পার্কে গিয়ে দেখা যায়, একাধিক যৌনকর্মী খদ্দেরের জন্য অপেক্ষা করছেন। এদের মধ্যে একজনের সঙ্গে কথা হয়। নাম তার শিউলি (ছদ্মনাম)। দীর্ঘদিন ধরে আছেন এ পেশায়।

শিউলি বলেন, পেটের দায়েই এ পেশায় এসেছিলাম, এখন আর ছাড়তে পারি না। পার্কে মাঝে মধ্যে আসি, খদ্দেরও পাওয়া যায় এখান থেকে।

তিনি বলেন, এখানে কাজ করি না। শুধু খদ্দেরের আশায় এখানে আসি। খদ্দের যেখানে নিয়ে যায় সেখানেই কাজ করি। তবে এখন আর আগের মত খদ্দের পাওয়া যায় না। অনেক খদ্দের টাকাও কম দেয়, পুলিশও মাঝে মধ্যে ঝামেলা করে। সব মিলিয়ে কোনরকমে চলছি।

পার্কের একাধিক জায়গায় দেখা যায়, কেউ বোরকা পড়ে কেউ আবার মুখে নানা রঙের মেকাপ লাগিয়ে পার্কের মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। লক্ষ তাদের একটাই যেভাবেই হোক খদ্দের জোগাড় করা।

এ পার্কে শুধু যে পতিতারাই আসে তা কিন্তু নই। তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) মানুষরাও এখানে ভিড় করে। অভিযোগ আছে, পার্কের ভেতর হিজড়ারা দর্শনার্থীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা আদায় করে।

নিশান নামের একজন দর্শনার্থী বলেন, পার্কে বান্ধবিকে নিয়ে বসলেই হিজড়ারা বিরক্ত করে, টাকা চায়। টাকা না দিলে অশ্লীল কথা-বার্তা, অঙ্গ-ভঙ্গি দেখায়। এ কারণে তাদের টাকা দিতেই হয়।

সাকিব নামের পার্কের একজন বাদাম বিক্রেতা বলেন, আমি পার্কে ৪ বছর ধরে বাদাম বিক্রি করি। এদেরকে সবসময়ই এখানে দেখি। সুযোগ পেলেই আপত্তিকর কাজে জড়িয়ে পড়ে তারা। দিনের বেলা তেমন কিছু না হলেও সন্ধ্যায় কিন্তু ওসব কাজ হয়।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্কের একজন দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরাও জানি এ পার্কে মাঝেমধ্যে এমন কাজ হয়। চোখে পড়লে বাধা দেই। সব সময় তো আর আমাদের চোখে পড়ে না। আর সন্ধ্যা হলে পার্কের ভেতরে কেউ থেকে গেলেতো তা আমাদের নজরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।

‘পার্কটাতো আর ছোট নয়, অনেক বড়। এত বড় পার্কে কে কোথায় লুকিয়ে কি কাজ করছে সেটাও আসলে দেখা সম্ভব নয়’ বলে জানান তিনি।

জেনেনিন স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি চুমু

চুমুর তুলনা একমাত্র হতে পারে শুধুমাত্র চুমুই। আর এই চুমু খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারও। শুধুমাত্র মন দেয়া নেয়া, চুমুর মধ্যে লুকিয়ে আছে বেশ কিছু গুণ। যা আপনার স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জেনে নিন চুমুর সেই সব গুণের কথা:

রক্তচাপ: চুমু খেলে সত্যিই কমে যাবে উচ্চরক্তচাপ, হাইপারটেনশন এবং দুশ্চিন্তার মতো ব্যাধিগুলো।

ব্যথা: চুমু খেলে মস্তিষ্কে এন্ডরফিন নামক হরমোনের ক্ষরণ হয়, যা দেহে ব্যথা-বেদনা কমাতে সাহায্য করে।

হৃদপিণ্ড: চুমুর সঙ্গে রয়েছে হৃদয়ের ঘনিষ্ঠ এক সম্পর্ক। তাই, যারা হামেশাই একে অপরকে চুমু খান তাদের হৃদপিণ্ড অনেক বেশি সুস্থ থাকে।

রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা: দেহে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়ায় ভালবাসার চুমু। শুধু তাই নয়, চুমু খেলে আইজিই অ্যান্টিবডি হ্রাস পায় এবং মাস্ট সেল থেকে হিস্টারিনের ক্ষরণও কমে। ফলে অ্যালার্জির হাত থেকে রক্ষা পাবে আমাদের শরীর।

মাইগ্রেইন: মাথায় যন্ত্রণা বা মাইগ্রেনের মতো ক্রনিক ব্যথার থেকেও মুক্তি দেবে মুহূর্তের গভীর একটা চুমু।

দেবর-ভাবীর কঠিন পরকীয়া! এরপর…

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বড় ভাবির সঙ্গে ছোট ভাইয়ের পরকীয়ার জের ধরে ছোট ভাইয়ের বউ এবং ভাসুর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে। তারা দু’জনকে বাঘা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর উপজেলার তেঁথুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলার তেঁথুলিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের স্ত্রী লাকির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক চলে আসছিল তার ছোট ভাই জনি আহম্মেদের। এই ঘটনার জের ধরে জনির স্ত্রী স্মৃতির সাথে প্রায় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত।

এদিকে আত্মহত্যার চেষ্টায় ব্যর্থ হাসপাতালের বিছানায় কাতরানো স্মৃতি খাতুন জানায়, তার স্বামী যদি তাকে ভালোবেসে কিংবা বাজার থেকে কোন কিছু এনে দেয় তাহলে তার ভাসুর স্ত্রী সেটা মেনে নিতে পারে না। এ নিয়ে মাঝে-মধ্যে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়িতে এ সব ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়ার এক পর্যায় সে বিষপান করে। তখন নিজের স্ত্রীর উপর অভিমান করে তার ভাসুরও বিষপান করে।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক রায়হান জানান, উভয়ের মুখ থেকে পাইপ দিয়ে বিষ তোলা হয়েছে। আপাতত বিপদ মুক্ত তারা। তবে এসব ঘটনায় রোগীকে ৪৮ ঘন্টা পরিচর্যায় রাখতে হয়।

ভারতের তামিল ছবিতে নায়িকাদের নাভি কেন উন্মুক্ত করা হয়?

দিনদিন ভারতের দক্ষিণী সিনেমাগুলো বলিউডকেও হারিয়ে দিচ্ছে। ছবিগুলোতে নায়কদের মারদাঙ্গা অ্যাকশনের পাশাপাশি নায়িকাদের হট ও আবেদনময়ী দৃশ্যগুলো বেশি আকর্ষিত করে।নারীশরীরের খোলা বিভাজিকায় পথ হারানো পথিক পুরুষের সংখ্যা কম নয়।

শরীরের অলি-গলিতে লুকিয়ে আছে হাজারো সম্মোহন আর হাতছানি। অথচ নাভিতে এসেই যেন ভরাডুবি হয় পুরুষ নাবিকের।আর নারীশরীরের সেই বিশেষ অঙ্গকেই বারবার বড়পর্দায় তুলে ধরতে চান দক্ষিণী পরিচালকরা। টলি-পাড়া বা বলিউড সিনেমা জগতের চেয়ে দক্ষিণী ছবিতেই যেন বেশি করে ধরা পড়ে নায়িকাদের নাভির সৌন্দর্য। কেন?

এই প্রতিবেদনে তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করা হল।নারী শরীরের খোলা নাভির আবেদনে কাত হননি এমন পুরুষ বিরল। শাড়িতে যে নারীকে এত মোহময়ী লাগে তার অন্যতম কারণ কিন্তু এই নাভির প্রদর্শন।

তা কেন এত আকর্ষণ জমা হয়ে থাকে নারী শরীরের নাভিতে? সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দক্ষিণী সিনেপ্রেমীদের নারীশরীরের মধ্যে নাভির দিকেই বেশি আকর্ষণ। আর সেই বিষয়টিকেই কাজে লাগান পরিচালকরা।

বিশেষ করে কোনও গানের দৃশ্যে নায়িকাকে শাড়ি পরানোর অন্যতম উদ্দেশ্য ওই নাভি প্রদর্শনই।তাঁদের মতে, এর মাধ্যমে অত্যন্ত সহজেই প্রেম ও যৌন আসক্তিকে ফুটিয়ে তোলা যায়। আর দর্শকদের চাহিদাই তো শেষ কথা।

তাই তাঁদের কথা মাথায় রেখেই প্রাধান্য দেওয়া হয় নাভিকে। অভিনেত্রী সিল্ক স্মিথার শরীরি ভাষায় মত্ত হয়ে উঠতেন দর্শকরা। সেই প্রচলন আজও দক্ষিণী ছবিতে বিরাজমান।

একটি ইন্টারভিউতে অভিনেত্রী তাপসি পন্নু বলেছিলেন, কস্টিউম ডিজাইনারদের একটা কথাই বলা হয়। পোশাক যতটা পারো নাভির নিচে রাখো।

তাহলেই বাজিমাত।অনেক পরিচালক জানিয়েছেন, নারীর নাভির প্রতি দর্শকদের এতটাই আকর্ষণ যে অনেক দক্ষিণী ছবির পোস্টারও তৈরি হয় এই বিষয়টি মাথায় রেখে। আসলে দিনের শেষে ছবি থেকে কত আয় হল, সেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

তাই আয়ের অন্যতম হাতিয়ার নারী শরীরের নাভি। আরও একটি কারণে পরিচালকরা নাভিকে কাজে লাগান। কীরকম? ছবিতে অ্যাডাল্ট কোনও দৃশ্য থাকলে অনেক সময় তাকে ‘A’ নথিভুক্ত করা হয়।

ফলে সব বয়সের দর্শক সেই ছবি দেখা থেকে বঞ্চিত হয়। এই সমস্যারও সহজ সমাধান করে নাভি।নারীশরীরের যৌনউত্তেজক স্থানগুলির মধ্যে অন্যতম নাভি ও নাভির চারপাশের অঞ্চল।

ফলে নায়িকার সেসব অংশ নায়ক ছুঁলেই দর্শকদের উত্তেজনা বা অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণ বাড়ে। এভাবেই একাধারে যেমন ছবিতে যৌন চাহিদার দিকটি মেটানো হয়, তেমনই এড়িয়ে যাওয়া যায় কোনও অ্যাডাল্ট দৃশ্য।

ফলে U/A তকমা পেতে সমস্যা হয় না। সবমিলিয়ে দক্ষিণী সিনেমা জগতে নারীর নাভি ছবি সুপারহিট করতে বড়সড় ভূমিকা পালন করে, এ বাস্তব উপেক্ষা করার কোনও জায়গায় নেই।

Comments

Facebook Comments