১০৫ বছর বয়স, পায়ে হেঁটে হজ্জ্ব পালন করেছেন, কে এই ব্যক্তি?

0
13

১০৫ বছর বয়স- দিনাজপুরের রামসাগরে অবস্থিত বায়তুল আকসা মসজিদের “ইমাম হাজী মোঃ মহিউদ্দীন” তিনি ১৯১৩ সালে জন্মগ্রহন করেন অর্থাৎ বর্তমান বয়স ১০৫ বছর৷ তিনি ১৯৬৮ সালে পায়ে হেঁটে বাংলাদেশ থেকে রওনা দেন ৷

ভারত,পাকিস্থান,ইরান,কাতার অতঃপর সৌদি আরব পৌছে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হজ্জ পালন করেন।

মক্কা-মদিনা থেকে তিনি ঈমানকে আরও মজবুত করার লক্ষ্যে অভিশপ্ত ফিরাআউনের লাশ দেখার উদ্দেশ্যে মিশর রওনা দেন ৷ অতঃপর আল্লাহর রাস্তার ধুলো পায়ে লাগিয়ে ১৮ মাস পর হেঁটে হেঁটেই নিজ পরিবারে বাংলাদেশে ফিরে আসেন৷

আল্লাহর রহমতে তিনি এখনও জীবিত ও সুস্থ আছেন৷ সবদিক থেকেই তিনি আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট আছেন এবং রাসূল মুহাম্মদ(সাঃ) এর উম্মত হতে পারাটা অনেক সৌভাগ্যের বিষয় বলে মন্তব্য করেন৷

আর কত বছর বয়স হলে ভাতা পাবেন ইমান গাজী? ইমান হোসেন গাজীর বয়স ১০০ ছুঁই ছুঁই। চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নম্বর ইউনিয়নের ছোট সুন্দর গ্রামে ঝুপড়ি ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছেন। পাঁচ মেয়ে ও ছয় ছেলের জনক তিনি।

একে একে চার মেয়ে ও চার ছেলে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। দুই ছেলে ও এক মেয়ে তাদের নিজেদের অভাবি সংসারের ঘানি টানছেন। স্ত্রী নিয়েই ইমান গাজীর সংসার।

যৌবনে কারত (গাছ কাটার) কাজ করেছেন। বয়সের ভারে কুঁজো হয়েছে সাড়ে ছয় ফুটের শরীর। এখন কাজ করতে পারেন না। মানুষের দুয়ারে হাত পেতে পেতে যা পান তা দিয়ে জীবন চলে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

সপ্তাহ খানেক আগে হাতের লাঠি ফসকে পড়ে আঘাত পেয়েছেন। আঘাতের চিহ্ন এখনো হাতে বিদ্যমান। চিকিৎসা করতে ইতোমধ্যে খরচ হয়েছে ১৬ হাজার টাকা। ধারদেনা করে চিকিৎসা করালেও এখন ওষুধ কিনতে পারছেন না।

বৃহস্পতিবার পড়ন্ত বিকেলে ছোট সুন্দর গ্রামে এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হচ্ছিলো। আক্ষেপের সুরে ইমান গাজী বলেন, ১০-১১ বার বয়স্ক ভাতার জইন্যে ফটো ভোটার আইডি দিছিলাম। কিন্তু তালিকায় আঁর নাম উডে না। এহন আবার মেম্বাররে ছবি আইডি কার্ড দিয়ি। আল্লাহ চাইলে পামু আর না হয় পামু না।

ইমান গাজী আরো বলেন, দয়া করে মাঝে মইদ্যে নাতিরা ভাত দেয়। খাই। পোলাগো সংসারই ঠিকভাবে চলে না। আমাগো দিকে নজর দিবো কী কইরা?ইমান গাজী প্রসঙ্গে কথা হয় স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে।

তিনি বলেন, এতো বছর বয়স্ক ভাতার কার্ড না পেলেও এবার দেয়া হবে। সবার আগেই ইমান গাজীকে কার্ড দেয়ার চেষ্টা করবো।চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নম্বর রামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আল মামুন পাটওয়ারী জানান, ইমান গাজীর স্ত্রী বয়স্ক ভাতা পান। তাই তাকে ভাতা দিতে বিলম্ব হয়েছে। তবে এবার নতুন তালিকা হলেই সবার আগে ইমান হোসেন গাজীর নাম দেয়া হবে।

কবিরাজঃ তপন দেব’এখানে আয়ুর্বেদী ঔষধের মাধ্যমে নারী ও পুরুষের যাবতীয় গোপন রোগ সহ, যে কোন রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। এবং দেশেও বিদেশে ঔষধ পাঠানো হয়। যোগাযোগ, ঢাকা খিলগাও, মোবাইল ০১৮২১৮৭০১৭০ ।

আর বিদেশে যাব না, দরকার পড়লে ভিক্ষা করে খাব

আর বিদেশে যাব না। দরকার পড়লে ভিক্ষা করে খাব। প্রতিদিন মারছে। খাবার-দাবার নাই। বেতন চাইলেই মারে। পুলিশে দিছে। ১২ দিন জেলে থাকছি।’ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সৌদি আরব থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এসব কথা বলছিলেন ফরিদা বেগম (৪০)। ফরিদার সঙ্গে একই ফ্লাইটে একই ধরনের অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছেন আরো ৬৪ নারীকর্মী।

 

ফরিদা বেগমের বাড়ি খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা এলাকায়। এই নারীর স্বামী সাত বছর আগে মারা গেছেন। এক মেয়ে চার ছেলে। সন্তানরা মায়ের খোঁজ নেয় না। তাই ঋণ করে ১১ মাস আগে সৌদি আরব যান তিনি। গৃহকর্মীর কাজে নেওয়ার পর পাঁচ মাস হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেও তিনি কোনো বেতন পাননি। ঈদের দিনও জোটেনি ভালো খাবার।

গতকাল ফিরে আসা নারীরা জানান, বাংলাদেশ দূতাবাসের আশ্রয়কেন্দ্রেও হয়রানির শিকার হয়েছেন তাঁরা। অনলাইনে ভিডিওতে নির্যাতনের কথা বলায় তাঁদের ওপর খড়্গ নেমে এসেছে। যাঁরা এখন সৌদিতে আছেন, তাঁরা নানা রকমের হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

গাজীপুরের কাপাসিয়ার সাবিনা (২০) চার মাস ১৩ দিন আগে রফিকুল ওরফে পারভেজ নামে এক দালালের মাধ্যমে সৌদি আরব যান।

নিজের দুর্দশার বর্ণনা দিতে গিয়ে এই তরুণী বলেন, ‘ফলের ফ্যাক্টরিতে কাজের কথা বলে আমারে নিয়ে বাসাবাড়িতে কাজে দেয়। রিয়াদ থেকে চার ঘণ্টার পথ। এক মাস ২৫ দিন পর আমি বাধ্য হইয়া পালাইয়া আসছি।’ পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখিয়ে সাবিনা বলেন, ‘খাবার চাইলে মারধর করত।

পানির লাইন বন্ধ করে আমারে দুই দিন বাথরুমে আটকাইয়া রাখছে। দুই মাস জেলে থাইকা আসলাম।’ তিনি আরো বলেন, ‘এমডিসির (আশ্রয়কেন্দ্র) বিরুদ্ধে আমার অভিযোগ আছে। সেখানকার মহিউদ্দিন স্যার মেয়েদের হয়রানি করেন। ১৫ দিন রাখার নিয়ম থাকলেও বেশি রাখে।

তারা খারাপ ব্যবহার করে। রওশন নামের যে মেয়েটা ভিডিও ছেড়ে নির্যাতনের কথা বলছেন তাঁরে কম্পানি আটকে রাখছে। এমডিসির এরা ওদের সাহায্য করে। আমাদের সাহায্য করে না। রওশনের তিনটা ফোন নিয়া গেছে। তাদের শেখানো মতো কথা বলতে বাধ্য করে।’

ফাতেমা আক্তার বিউটি (২২) নামের আরেক তরুণী ২ নম্বর টার্মিনাল থেকে বেরিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, ‘একটা বাচ্চা ছাড়া এই পৃথিবীতে আমার আর কেউ নাই। ওই বাচ্চাটার ভবিষ্যতের জন্য সৌদি গেলাম। আর কী হইল?’

বিউটি জানান, মুন্সীগঞ্জে জন্ম হলেও বাবা-মা না থাকায় তিনি এতিমখানায় বড় হয়েছেন। বিয়ে হলেও স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে। চার বছরের মেয়ে জান্নাত আক্তার আলোর ভবিষ্যতের জন্য সৌদিতে কাজ করতে যান তিনি। ফিরেছেন নিঃশ্ব হয়ে। মহিলা মাদরাসায় কাজ দেবে বলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। এক বছর চার মাস তাঁর সংগ্রামের গল্প অন্যদের মতোই।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জের মঞ্জু মিয়ার মেয়ে জান্নাত বলেন, ‘আট মাস ছিলাম। আল্লাহ বাঁচাইয়া ফিরাইছে। এক বাসায় কাজ করার সময় বেতন তো পাইনি, উল্টো মারধরও করা হতো। পরে আমাকে খারাপ জায়গায় বেচার জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। আমি পালিয়ে বাঁচি।’

ফেরত আসা নারীকর্মীরা বলেন, গত ২৮ আগস্ট শাহজালাল বিমানবন্দরে আত্মহত্যার চেষ্টা করা নারীকর্মীর সঙ্গে তারাও একই আশ্রয়কেন্দ্রে ছিলেন। ওই তরুণীর ওপর দূতাবাসের কর্মী লোকমান ও গোলামের অবিচারের কথা তাঁরা সৌদিতেই জেনেছেন। এমন আরো কয়েকজন নারীকর্মী হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন ফেরত আসা কর্মীরা।

মানিকগঞ্জের ঘিওরের হুজলিয়া গ্রামের লালনের স্ত্রী জাহানারা বেগম নির্মম নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে জানান, সাড়ে তিন মাস আগে দালালের মাধ্যমে তিনি সৌদি আরব যান।

ফলের দোকানে কাজের কথা বলে তাঁকে এক বাড়িতে কাজে দেওয়া হয়, যেখানে মানুষ ছিল ৩০ জন। দিন-রাত কাজ করতে হতো। খেতে দেওয়া হতো না। রান্না ঘরে ও বাথরুমে আটকে রাখা হতো। বন্ধ ঘরে দিন না রাত তাও বুঝতে পারেননি।

শেরপুরের শফিকুল ইসলামের স্ত্রী মিনারা বেগম (৩৮) বলেন, স্বামী অসুস্থ থাকায় বিদেশে কাজ করে তিনিই সংসারের হাল ধরেন। এর আগে কাতার, বাহরাইন ও জর্দানে কাজ করেন মিনারা।

তবে আগে এমন ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হয়নি তাঁর। পায়ে পোড়া জখম দেখিয়ে মিনারা কেঁদে বলেন, ‘১০ মাস আগে মাসুম আর রফিক দালালের মাধ্যমে গেছিলাম। হাসপাতালের ভিসার কথা বলে ওরা বাড়ির কাজে দেয়।

এমনভাবে পা পুড়িয়ে দেয় যেন বের না হইতে পারি। আমার মাথায় ১৮টা সেলাই। মাহারা কম্পানি (নিয়োগকারী সৌদি সরকারি প্রতিষ্ঠান) কোনো সাহায্য করে নাই। সেখানে নিলুফা ও সুমীসহ তিন-চারটা মেয়ে এখনো বন্দি আছে।’

২ নম্বর টার্মিনালের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ষাটোর্ধ্ব বয়সী সবুরা খাতুন। এদিক-ওদিক ফ্যালফ্যাল করে দেখছিলেন তিনি। এক আনসার সদস্যকে দেখে বলেন, ‘আমার মাইয়া ডা আসছে? কোন দিকে আসবো?’ তিনি বলেন, তাঁর মেয়ে মঞ্জু আরা দুই বছর আগে সৌদি আরব গেছেন।

ফোন করে জানিয়েছেন যে তিনি ভালো নেই। কোনো টাকা-পয়সা পাঠাতে পারেননি। সবুরা মেয়েকে বলেছেন, ‘টাকা-পয়সা লাগবে না, জান নিয়া ফিরা আসো।’ অনেক অপেক্ষার পর আজ মেয়ে ফিরেছেন। সবুরা জানান, তাঁর বাড়ি মাগুরায়। তাঁর একটাই সন্তান। স্বামী হারেছ মিয়া অসুস্থ।

মঞ্জু আরার বিয়ে দিয়েছিলেন কয়েক বছর আগে। একটি ছেলে ও দুটি মেয়ে আছে তাঁর। পরে মঞ্জু আরার স্বামী আবার বিয়ে করেন। মেয়েকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন সবুরা।

এরপর মেয়ে ও তাঁর নাতি-নাতনির ভবিষ্যতের জন্য দুশ্চিন্তায় পড়েন। একপর্যায়ে একটি মেয়ে জানায়, কয়েক হাজার টাকা হলে সৌদি আরবে গিয়ে ভালো কাজ করতে পারবে। আয় ভালো হবে।

এ কথা শুনে এনজিও থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সবুরা মেয়েকে বিদেশ পাঠান। কথা বলার মধ্যেই বোরকা পরা এক নারী এসে সবুরাকে জড়িতে কাঁদতে শুরু করেন। কী হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কিছু বলতি পারব না।’ মা-মেয়ের কান্নায় জড়ো হয় সবাই।

বিমানবন্দরে ফিরে আসা নারীদের সহায়তা দিতে দেখা গেছে এনজিও ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রগ্রামের কর্মীদের। তবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বা জনশক্তি বিভাগের কোনো কর্মীকে দেখা যায়নি।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রগ্রামের তথ্য কর্মকর্তা আল আমিন নয়ন বলেন, রিয়াদ মাহারা হিউম্যান রিসোর্স কম্পানি ও সফর জেল (ইমিগ্রেশন ক্যাম্প) থেকে ইত্তেহাদ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে করে রাত ৮টা ২০ মিনিটে তাঁরা পৌঁছান। এর মধ্যে ৩৭ জন ব্র্যাকের সহায়তা নিয়েছেন। তাঁদের খাবার, বাড়ি পৌঁছানো, কাউন্সেলিং এবং পরে কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

প্রথমবারের মতো বিমান-বালা হচ্ছে সৌদি নারীরা!

সৌদি আরবের নারীদের বিমানের কেবিন ক্রু তথা বিমান-বালা হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ফ্লাইডিল নামের একটি এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। অন্তত ২০ জন সৌদি নারী এই চাকরির সুযোগ পাবেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এটিই হবে সৌদি নারীদের কেবিন ক্রু পদে চাকরির প্রথম উদাহরণ।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদ পর্যবেক্ষণকারী যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা মিডিল ইস্ট আই জানিয়েছে, ফ্লাইটডিল নামের বিমান সংস্থাটি সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সৌদিয়ারই একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

গত মঙ্গলবার কেবিন ক্রু হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য অনলাইনে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ফ্লাইডিল। সেখানে ২৩ থেকে ৩০ বছর বয়সী সৌদি নারীদের আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগ্রহী প্রার্থীদের ইংরেজিতে সাবলীল এবং গ্রাহক সেবা ও বিপণনে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হবে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, বাছাইয়ে উত্তীর্ণ সৌদি নারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করবে ফ্লাইডিল।ফ্লাইডিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৭ সালে। তেল সমৃদ্ধ সৌদি আরব কোনও একটি উৎসের ওপর নির্ভরশীল না থেকে অর্থনীতিকে বহুমুখী করার উদ্দেশ্যে যে সংস্কার পরিকল্পনা করেছে তার সূত্রেই এই অপেক্ষাকৃত সস্তা বিমান সেবার যাত্রা শুরু।

সৌদি আরব চাইছে, তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে পর্যটনের মতো অন্যান্য খাতে উন্নয়ন সাধন করতে। সৌদি পর্যটনের প্রতি মানুষকে আগ্রহী করে তুলতেই সৌদিয়ার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ফ্লাইডিল।

সৌদি আরব এতদিন পর্যন্ত কেবিন ক্রু পদে নারীদের নিয়োগ দেয়নি। ২০১৫ সালে সৌদিয়ার পক্ষ থেকে বরং ঘোষণা দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এয়ারলাইন্সটির নারী গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার জন্য সৌদি আরবের নারীদের নিয়োগ করার সুযোগ থাকলেও সরাসরি কেবিন ক্রু পদে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে না।

Comments

Facebook Comments